Ad Code

Ticker

6/recent/ticker-posts

প্রথম প্রেমের কবিতা | তীব্র প্রেমের কবিতা ২০২২

প্রথম প্রেম আর প্রথম প্রেমের কবিতা কেউ ভুলতে পারে না। প্রেমে পড়ে আবাল ছেলেটার মনেও কবিতা ছোটা ছুটি করতে থাকে। সকলের জীবনেই প্রেম আসে,কিছু প্রেম সারা জীবন থাকে আবার কিছু হারিয়ে যায়। কিন্ত প্রথম প্রেমের কাহিনী কেউ ভুলতে পারে না। সকলের মনে চিরকালের জন্য গেথে থাকে। প্রেম চলে যায় কিন্ত স্মৃতি থেকে যায়। সেই স্মৃতিতে মোড়ানো প্রথম প্রেমের কবিতা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি।

প্রেম যখন তিব্র মাত্রায় চলে যায়, মনে ছন্দের খেলা লেগেই থাকে। দুনিয়াটা সুন্দর মনে হয়। অসাধারণ এই সময় তীব্র প্রেমের কবিতার জন্য সেরা সময়। তো চলুন দেখে নিই পৃথিবীর সেরা প্রথম প্রেমের কবিতা। 

 প্রথম প্রেমের কবিতা

নতুন নতুন প্রেমে পড়ার পর আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য একটাই থাকে। সেটি হলো প্রিয় মানুষটিকে নিজের দিকে আকর্ষিত রাখা। কবিতা এমনই একটি উপায় যার মাধ্যমে প্রিয় মানুষের চোখে নিজের মূল্য বাড়ানো যায়। ভাবতে পারেন, “ আমি তো এত ভালো কবিতা লিখতে পারি না। তাহলে আমি কীভাবে আমার প্রথম প্রেম ঠিক রাখবো?” যদিও এর আরও হাজারো উপায় রয়েছে। আপনি যদি প্রথম প্রেমের কবিতা দিয়েই বাজি জিততে চান তাহলেও চিন্তার কিছু নেই। 

প্রথম প্রেমের কবিতা

আপনার অভিজ্ঞতা না থাকলেও এখানে অনেক গুলো সুন্দর সুন্দর তীব্র প্রেমের কবিতা দেওয়া হবে। কবিতা লিখতে না পারলে বা লেখার মতো সময় না থাকলে। সরাসরি এখানে দেওয়া কবিতা সমূহ কপি করে যাকে ইচ্ছা পাঠাতে পারেন। অথবা মুখস্থ করে শোনাতে পারেন। যখন কাউকে প্রেমের কবিতা শোনাবেন। কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন। এগুলো মাথায় রাখলে খুব সহজেই আপনার উদ্দেশ্য সফল হবে। 

 প্রথম প্রেমের কবিতা কি কাজে আসে

যদি কিছু বিষয় মাথায় রেখে প্রথম প্রেমের কবিতা ব্যবহার করতে পারেন তবে অবশ্যই কাজে আসবে। যদি হুট হাট যে কাউকে ধরে এই প্রেমের কবিতা গুলো শুনিয়ে দেন । তবে কাজের কাজ তো হবেই না। উপরন্তু মার খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

প্রথমতঃ 

খেয়াল রাখবেন যাকে প্রেমের কবিতা শোনাতে যাচ্ছেন। সে প্রকৃত পক্ষেই কবিতা ভালোবাসে কিনা? যদি পছন্দ করে তাহলে শোনাতে পারেন। আর যদি ভালো না লাগে তবে অন্যকিছু চেষ্টা করতে পারেন। 

দ্বিতীয়তঃ 

তাঁর সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন? জানা শোনা বা বন্ধুত্ব না থাকলে। প্রথম প্রেমের কবিতা শোনাতে না যাওয়াই ভালো। এতে করে সে আপনার প্রতি ইমপ্রেস না হয়ে আরও বিরক্ত হতে পারে। তাই প্রথমে কথা বলে তাঁর সাথে বন্দুত্ব করে নিন। বোঝার চেষ্টা করুন, কথা বলুন। এবং ভালো সময় বুঝে প্রেমের কবিতা শুনিয়ে দিন 🙂  কখনোই জোর করবেন না, যদি না শুনতে চায়। বাদ দিয়ে অন্যকিছু করুন, খেয়াল রাখবেন যেন বিরক্ত না হয়। আপনার কাজ এতেই হয়ে যাবে। 

যেভাবে প্রথম প্রেমের কবিতা লিখবেন

আমরা ভাবি শুধু কবিরাই কবিতা লিখতে পারে। আসলে আমরা সকলেই লিখতে পারি। সাহস করে কখনো হাতে কলম তুলে নেই না। তাই আমাদের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কবিকে কখোনই আবিষ্কার করতে পারি নাই। মনে রাখবেন, প্রেমের কবিতা লেখার জন্য আমাদের সাহিত্যে ডিগ্রি লাগবে না। লাগবে কারো প্রতি ভালোবাসার টান আর আবেগের খেলা। প্রকৃতপক্ষে কাউকে চাইলে, কাউকে দেখার পর ঘুম হারাম হয়ে গেলে। আপনি চাইলেও ছন্দের জ্বালামুখী বন্ধ করতে পারবেন না। 

প্রেমের কবিতা লেখার জন্য আপনাকে ভাবনায় ডুবে যেতে হবে। এসব কথা আজব মনে হতে পারে, যদিনা প্রেমে পড়ে থাকেন। জীবনে যখন প্রেম আসবে, বুঝতে পারবেন দুনিয়া টা কত রঙিন। তাঁর ডাগর ডাগর চোখ, হালকা লোমশ হাত চোখের সামনে ভাসতে থাকবে। একের পর এক লাইন আপনার সামনে আসবে যেটা করতে হবে। মনের ভিতর কোন ছন্দ আসার পর সাথে সাথেই লিখে ফেলতে হবে। খাতায় মোবাইলে যেখানে ইচ্ছা লিখতে পারেন। এই ভাবে কয়েকদিন গেলেই দেখতে পারবেন বেশ কিছু কবিতা লিখে ফেলেছেন। 

তীব্র প্রেমের কবিতা

নাম দেখেই বুঝতে পারছেন, প্রেম যখন তীব্র মাত্রায় পৌঁছায় । শুধু মাত্র সে সময় এই কবিতা গুলোর প্রয়োজন হয়। প্রেমেতে অন্ধ হয়ে যাবেন, যেখানে যাবেন, যাকে দেখবেন শুধু তাঁর চেহারায় আপনার সামনে ভেসে উঠবে। বুঝতেও পারবেন না মুখে থেকে কবিতা এবং ছন্দ মালা ঝড়ে পড়ছে। ভালোবাসা আমাদের শক্ত করে। আমাদের ভেতরের আমি কে বুঝতে শেখায়। সমাজের ধরা বাঁধা নিয়মের বাইরে যেতে শেখায়। এই তীব্র প্রেমের কবিতা তাঁর বাস্তব উদাহরণ। 

এমনিতে অবস্থা এমন হয়। পেটে পাড়া দিলেও একটা কবিতার লাইন বের হবে না। কিন্ত প্রেম পড়লে আর অপেক্ষা করতে হবে না। যেসব কবিদের অসাধারণ কাজের জন্য আমরা সকলেই তাদের চিনি। তাঁদের শিল্প কর্মের পিছনেও ছিল প্রেমের হাত। প্রিয় মানুষের চোখের ভাষা কে তাঁরা কবিতায় রূপ দিতেন। ইতিহাস ঘাটলে এমন অনেক কবি দেখা যায় যারা কিনা শুধু মাত্র কবিতার কথার সন্ধানে প্রেম বন্ধনে আবদ্ধিত ছিলেন। একটা কথা আমি প্রায়সই বলে থাকি যে, জলে না নেমে সাঁতার শেখা যায় না। তেমনি প্রেমে না পড়লে কবিতা লেখা যায় না। 

কাউকে দেখে ভালো লাগলে বা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তীব্র হলেই প্রেমের কবিতার অভাব অনুভব করতে পারবেন। কিছু লাইন যেগুলো অযৌক্তিক মনে হতো, দেখলেই পাগলামি মনে হতো। সেগুলো হঠাত করে অনেক বেশি সত্য মনে হবে। আশে পাশের ছোট ছোট বিষয় যেগুলো খেয়াল করা হয়নি সেগুলো কানে বাজতে থাকবে। পাখির ডাক, ফুলের সুভাস, বাতাসের গন্ধ অনুভব করতে পারবেন। মানুষের ভিতরের ভালো দিক আপনার সামনে ভেসে উঠবে। ক্ষনিকের জন্য হলেও আপনার দুনিয়া জান্নাত মনে হবে। এই সময় মনে তীব্র প্রেমের কবিতা লারা-চরা দিবে। এমনি কিছু কবিতা নিচে দেওয়া হলো-

ওহে বালিকা

       -বায়েজিদ বোস্তামি

মুগ্ধ তোমার স্নিগ্ধ দেহে

হয়েছি পাগল 

তোমার চুলের সুবাসে! 

মন মাতালে 

প্রেমের আভাসে।

কে তুমি 

অপরূপা,সুন্দরী!

যানতে কি পারি প্রিয়া

কোথায় তোমার বাসা?

তোমায় দেখে 

মনের মাঝে 

জাগলো প্রেমের আশা। 

দেবে কী আশ্রয় 

তোমার হৃদয় মাঝারে?

দেবে কি সুযোগ 

তোমার কাছে আসার?

মনে বড় আশা 

তোমায় হৃদয় ভরে 

দেখতে চাই,

সারা জীবন 

হৃদয় রাজ্যে রানী 

করে রাখতে চাই। 

হবে কি আমার?

দেবে কী সাত জন্মের

অপার ভালোবাসা?

দেখে তোমায়

হৃদয় মাঝে জাগলো

প্রেমের আশা। 

এই ছিল আমাদের ভালোবাসার কবিতা নিয়ে আজকের আয়োজন। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। এখানে দেওয়া কবিতা যদি আপনার ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে চান। তাহলে ক্রেডিট হিসাবে আমাদের এই পোষ্টের লিংক দিতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

Post a Comment

0 Comments